ছাত্রজীবন থেকেই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ হিসেবে পরিচিত বাকা বিল্লাহ। স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ন্যায় ও সত্যের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছে তাঁর ব্যক্তিত্বের স্বতন্ত্র পরিচয়।
সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর অনুরাগ দীর্ঘদিনের। লেখালেখির মাধ্যমে সমাজ জীবনের নানা বাস্তবতা তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি অঙ্কনের ক্যানভাসেও ফুটিয়ে তোলেন মানুষের জীবন, প্রকৃতি ও সময়ের বহুমাত্রিক চিত্র। কবিতা আবৃত্তিতে ও রয়েছে তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ। বর্তমানে তিনি মেহেরপুর জেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম, লিফলেট বিতরণ, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সাংস্কৃতিক আয়োজন ও রাজনৈতিক পথসভায় তাঁর সক্রিয় সম্পৃক্ততা লক্ষ করা যায়। মেহেরপুরের সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে তিনি একজন পরিচিত মুখ। একজন বহুমাত্রিক শিল্পী হিসেবে তাঁর পরিচিতি জেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে বিভিন্ন মহলেও পৌঁছেছে। কারু ও চারুকলার প্রতি তাঁর নিবিড় ভালোবাসা তাঁকে একজন সৃষ্টিশীল চিত্রশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজনীতিতে সময় দিলেও শিল্পচর্চা থেকে কখনো দূরে সরে যাননি বাকা বিল্লাহ। এক সময় পেশাগতভাবে চিত্রশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই সৃজনশীল ধারাবাহিকতা আজও অব্যাহত রয়েছে। নতুন প্রজন্মের মাঝে শিল্পচর্চা ছড়িয়ে দিতে তিনি মেহেরপুরে শিশুদের জন্য একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেখানে শিশু-কিশোরদের আঁকাআঁকির পাশাপাশি সৃজনশীল বিকাশে উৎসাহিত করা হয়।
সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মতে, রাজনীতি, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিল্প—এই চারটি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে ধারণ করে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছেন বাকা বিল্লাহ। সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে তিনি নিজস্ব একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছেন।